“প্রকাশ-কথন”
বাঙালি আর বাংলা সাহিত্য—এই দুইয়ের মেলবন্ধন চিরন্তন। মনের ভাবকে বইয়ের পাতায় মলাটবদ্ধ করার এক নতুন স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করলো আমাদের প্রকাশনী ‘লিপি কলকাতা’।
লেখক ও পাঠক—উভয়ের সাথে সততা ও স্বচ্ছতার সম্পর্ক বজায় রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সস্তা চমক নয়, বরং উন্নত মানের সৃষ্টি উপহার দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। বয়স, জাতি বা ধর্ম নির্বিশেষে নতুন ও প্রতিভাবান লেখকদের যোগ্য সুযোগ দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কাগজের গুণগত মান, নান্দনিক প্রচ্ছদ, চমৎকার বাঁধাই থেকে শুরু করে মার্জিত প্রকাশনা অনুষ্ঠান—সবকিছুতেই শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে আমরা আপসহীন।
আমাদের বিশ্বাস, ‘লিপি কলকাতা’ কেবল একটি প্রকাশনী নয়, এটি বইপ্রেমীদের একটি পরিবার। অক্ষরের এই নতুন মিছিলে লেখক এবং পাঠক হিসেবে আপনাদের উপস্থিতি আমাদের পথচলাকে সার্থক করে তুলবে। আসুন, সততার হাত ধরে বাংলা সাহিত্যকে পৌঁছে দিই ঘরে ঘরে।
ধন্যবাদান্তে,
পিয়ালী মজুমদার
প্রকাশক, লিপি কলকাতা
“প্রকাশ-কথন”
অক্ষরযাত্রার সহযাত্রী: সহ-প্রকাশকের কথা
প্রিয় সুধী ও সহকর্মীবৃন্দ,
আজ থেকে ‘লিপি কলকাতা’র যে যৌথ পথচলা শুরু হলো, তা বাংলা সাহিত্য ও প্রকাশনা জগতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। একটি নতুন প্রকাশনী হিসেবে আমাদের সামনে যেমন রয়েছে বিশাল সম্ভাবনা, তেমনই আছে নতুন কিছু সৃষ্টি করার চ্যালেঞ্জ।
‘লিপি কলকাতা’ শুধু বই প্রকাশের মাধ্যম নয়; আমাদের মূল লক্ষ্য হলো একটি নির্ভরযোগ্য ও সৃজনশীল মঞ্চ তৈরি করা, যা লেখকদের কালজয়ী সৃষ্টিকে পাঠকদের দরবারে পৌঁছে দেবে। ফিকশন, নন-ফিকশন, কবিতা থেকে শুরু করে গবেষণামূলক ও শিশুসাহিত্য—সব ক্ষেত্রেই আমরা লেখার গুণগত মান ধরে রাখতে শতভাগ দায়বদ্ধ।আমি মনে করি, একটি সফল বইয়ের পেছনে শুধু লেখকের নাম থাকে না, জড়িয়ে থাকে প্রকাশক, দক্ষ সম্পাদক, ডিজাইনার এবং বিপণন কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রম। তাই আমি একক কৃতিত্বে নয়, বরং যৌথ টিম-ওয়ার্কে বিশ্বাসী।
আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য—বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে মানসম্মত সাহিত্য পৌঁছে দেওয়া। এই সংস্থায় প্রতিটি নতুন আইডিয়া ও সৃজনশীল চিন্তাকে সবসময় স্বাগত জানানো হবে। আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের এই নতুন আবেগের নাম ‘লিপি কলকাতা’-কে প্রতিটি পাঠক হৃদয়ের প্রথম পছন্দে পরিণত করি।
ধন্যবাদান্তে,
সোনালী মজুমদার,
সহ-প্রকাশক, লিপি কলকাতা